আলো নিভছে
আকাশের সব বৃষ্টি হাহাকার হয়ে ঝরে গেছে। পুরোপুরি আলো ফোটে নি এখনো। কোথাও। গত কয়দিন ধরে যত আঁকিবুকি কাটা হয়েছিলো , সব মুছে পরিষ্কার স্লেট হয়ে গেছে আজকের সকাল। পাখীগুলো ডাকবে কিনা ভাববার কোন সুযোগ না পেয়ে অভ্যাসবশেই ডাকতে শুরু করেছে। আমি সকলের আগে ঝরা পাতা দেখব বলে বাড়ীর সব ক ’ টা দরজা খোলা রেখেই দৌড়ে বের হ ’ য়ে পড়েছি। এত্ত ভয় করছে। কেবলই মনে হচ্ছে সময় বুঝি আমার শেষ হতে চলেছে। আমি সত্যিই হয়ত সেই হেমন্তে কোনদিন আর পৌঁছতে পারব না। আসলে আজ বসে আমি যে এক সামনের হেমন্তের কথা ভাবছি। সেই হেমন্ত যা কোনদিন কোথাও আসে না। তবু এক হাঁটু কমলা পাতার উপর দাঁড়িয়ে মচ্ মচ্ শব্দ তুলে মনে করছি পৃথিবীটা এখন বুঝি পুরোপুরিই আমার হাতের মুঠোয়। যদি চাই এই এখনি এই বাদামি পাতার ভিতর মাটির উপর আমি তার পাশে হয়ত সত্যি সত্যিই শুয়ে পড়তে পারব। এবং হাত দিয়ে যদি মুখ ছুঁয়ে দেখি তবে চেষ্টা করেও তার মুখে শতাব্দীর পায়ের ছাপ আমি একটাও কোথাও খুঁজে পাব না। হয়ত বিশ্বাসও করে ফেলব যে আমাদের চামড়ায় মাটির উপর লাঙ্গলের মত সময়ও শেষ পর্যন্ত কোন বলিরেখাই কাটতে পারে না। তাকে আমি চব্বিশ বছর দেখি নি। জানি না কেন ভ...